আমরা কেবল একটি বেটিং সাইট নই। 36bet তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য — যারা বিনোদন খোঁজেন, ক্রিকেটকে ভালোবাসেন এবং নিরাপদ অভিজ্ঞতা চান।
২০১৯ সালে যখন 36bet-এর যাত্রা শুরু হয়, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং মানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিদেশি সাইটে ইংরেজিতে খেলা। বাংলায় কিছু নেই, পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতি নেই, সাপোর্ট নেই — পুরো ব্যাপারটা অনেকের কাছেই জটিল ও অপরিচিত মনে হতো।
একদল তরুণ উদ্যোক্তা ভাবলেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হওয়া দরকার যেটা তাদের ভাষায়, তাদের চেনা পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং তাদের পরিচিত খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে গড়া। সেই ভাবনা থেকেই 36bet-এর জন্ম।
শুরুতে মাত্র কয়েক হাজার ব্যবহারকারী নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও আজ ১৮ লাখেরও বেশি মানুষ 36bet-এর সাথে যুক্ত। ঢাকা থেকে সুন্দরবন, চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহী — দেশের প্রতিটি কোণে এখন 36bet-এর পরিচিত মুখ আছে।
"আমাদের লক্ষ্য কখনো শুধু মুনাফা ছিল না। আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের মানুষ যেন নিজের ভাষায়, নিরাপদে এবং আনন্দের সাথে অনলাইন গেমিং উপভোগ করতে পারেন।"
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তৈরি কিছু সুবিধা যা অন্য প্ল্যাটফর্মে সহজে পাওয়া যায় না।
প্ল্যাটফর্মের প্রতিটি কোণ বাংলায় লেখা — মেনু থেকে গেম নির্দেশনা, সাপোর্ট থেকে পেমেন্ট সব বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা কার্ডের ঝামেলা ছাড়াই বিকাশ, নগদ বা রকেটে ডিপোজিট ও উইথড্রও করুন। মাত্র ২ মিনিটে ব্যালেন্স আসে।
বাংলাদেশের ম্যাচে রিয়েল-টাইম অডস, ওভার-বাই-ওভার স্কোরকার্ড এবং তাৎক্ষণিক ক্যাশ আউট — ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আলাদা অভিজ্ঞতা।
লো-ডেটা মোডে ৩G নেটওয়ার্কেও 36bet অ্যাপ মসৃণ চলে। পার্বত্য এলাকা বা গ্রামাঞ্চলের ব্যবহারকারীরাও সমান সুবিধা পান।
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, OTP যাচাই, বায়োমেট্রিক লগইন ও রিয়েল-টাইম ফ্রড মনিটরিং — প্রতিটি লেনদেন একাধিক স্তরে সুরক্ষিত।
রাত ৩টায় সমস্যা হলেও 36bet-এর সাপোর্ট টিম বাংলায় সাড়া দেবে। লাইভ চ্যাট, ইমেইল ও ফোন — তিনটি মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়।
বাংলাদেশের গেমিং বাজারে প্রবেশ করতে গেলে কিছু কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। বেশিরভাগ মানুষের কাছে ক্রেডিট কার্ড নেই, ব্যান্ডউইথ সীমিত, এবং ইংরেজি ইন্টারফেস অনেকের জন্যই বাধা। 36bet-এর প্রথম সিদ্ধান্তই ছিল এই বাধাগুলো সরানো।
বিকাশ ও নগদের সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন তখনই করা হয়েছিল যখন অনেক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম এই পদ্ধতিকে গুরুত্ব দিত না। আজ এটাই 36bet-এর সবচেয়ে বড় শক্তি।
অ্যাপ ডিজাইন করার সময় গবেষণা করা হয়েছে রাজশাহীর কৃষক থেকে শুরু করে ঢাকার শিক্ষার্থী পর্যন্ত — বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণির মানুষের ফিডব্যাক নেওয়া হয়েছে। তাই 36bet-এর প্রতিটি বাটন, প্রতিটি মেনু এবং প্রতিটি পেমেন্ট ফ্লো বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর মাথায় রেখে বানানো।
বাংলাদেশে ক্রিকেট শুধু খেলা নয় — এটা আবেগ, পরিচয় এবং সংস্কৃতির অংশ। 36bet এই অনুভূতিকে সম্মান দেয়। বাংলাদেশের ম্যাচে আলাদা ব্যানার, বিশেষ অডস এবং লাইভ স্কোরকার্ড দিয়ে দেশের ক্রিকেটকে উদযাপন করা হয়।
ক্রিকেটের বাইরে ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, কাবাডি এবং আরও অনেক খেলায় বেটিংয়ের সুবিধা আছে। এশিয়ার জনপ্রিয় খেলাগুলোতে 36bet-এর মার্কেট ওয়েস্টার্ন প্ল্যাটফর্মের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ।
36bet-এ বিনোদনকে সব সময় প্রথম রাখা হয়। আমরা বিশ্বাস করি গেমিং উপভোগ করার জিনিস — চাপ বা আসক্তির নয়। তাই প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং রিয়েলিটি চেক ফিচার রয়েছে।
যখনই কোনো ব্যবহারকারীর আচরণে সমস্যার ইঙ্গিত পাওয়া যায়, আমাদের সাপোর্ট টিম সরাসরি যোগাযোগ করে। এটি নিয়ম নয় — এটি আমাদের নিজস্ব প্রতিশ্রুতি।
36bet-এর সেবা কেবল ১৮ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের জন্য। বয়স যাচাই আমাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়ার অংশ।
প্রতি মাসে 36bet-এর অ্যাপ আপডেট পায়। নতুন ফিচার, বাগ ফিক্স, পারফরম্যান্স উন্নতি — এগুলো নিয়মিত কাজের অংশ। আমাদের প্রযুক্তি দলে ৫০-এর বেশি ডেভেলপার ও ডিজাইনার কাজ করছেন।
WebSocket লাইভ ডেটা, বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা, AI-চালিত ফ্রড ডিটেকশন — এই প্রযুক্তিগুলো আনতে কয়েক বছর সময় লেগেছে। কিন্তু আজ 36bet-এর ব্যবহারকারীরা এগুলো থেকে সুবিধা পাচ্ছেন।
যে নীতিগুলো 36bet-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তকে পথ দেখায়।
পেমেন্ট চার্জ, বোনাস শর্ত, গেমের রিটার্ন রেট — সব তথ্য সরাসরি প্রকাশ করা হয়। লুকানো কিছু নেই।
প্রতিটি ব্যবহারকারীর তথ্য ও টাকা সুরক্ষিত রাখা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আপোষ নেই।
আমাদের ব্যবহারকারীরা কেবল গ্রাহক নন — তারা একটি সম্প্রদায়ের সদস্য। তাদের মতামতই আমাদের উন্নতির পথ।
গেমিংকে বিনোদন হিসেবে রাখতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের নীতির কেন্দ্রে।
প্রতিটি মাইলফলক আমাদের আরও শক্তিশালী করেছে।
36bet-এর পেছনে থাকা মানুষগুলো।
এছাড়াও প্রযুক্তি, ডিজাইন, মার্কেটিং ও অপারেশনে ২০০-এর বেশি দলের সদস্য প্রতিদিন কাজ করছেন।